আমি গৌরী খান, বয়স ৫৪,শাহরুখ খানের স্ত্রী, প্রযোজক ও ইন্টেরিয়র ডিজাইনার। আমার ফিগার ৩৬-২৮-৩৬, লম্বা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি, ফর্সা গায়ের রঙ, চুল কাঁধের নিচে ঝকঝকে। আমার জীবন বিলাসবহুল—শাহরুখ আমাকে ভালোবাসেন, আমাদের তিন সন্তান আরিয়ান, সুহানা, আর আব্রাম আমার দুনিয়া। কিন্তু আমার শরীরেও আছে লুকানো আকাঙ্ক্ষা, যা আমি কখনো প্রকাশ করিনি। এই গল্প আমার জীবনের এক অপ্রত্যাশিত রাতের, যেখানে সালমান খান, ৫৯ বছরের বলিউড সুপারস্টার, ৬ ফুট লম্বা, শক্তিশালী বডি, ধন ৮ ইঞ্চি, আমার শরীরে এক অদ্ভুত আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল। এটা একটা দুর্ঘটনা ছিল, কিন্তু সেই রাত আমার হৃদয়ে চিরকাল গেঁথে আছে।
১২ এপ্রিল, ২০২৫। সেদিন আমি মুম্বাইয়ের আলিবাগে আমাদের প্রাইভেট ফার্মহাউসে ছিলাম। শাহরুখ দুবাইতে শুটিংয়ে, বাচ্চারা লন্ডনে। আমি একা, একটা নতুন প্রজেক্টের জন্য ফার্মহাউসের ইন্টেরিয়র চেক করতে এসেছি। আমি একটা লাল ম্যাক্সি গাউন পরেছিলাম, আমার ফিগার গাউনে ভরাট, দুধের খাঁজ হালকা দেখা যাচ্ছিল। বিকেলে বৃষ্টি নামল,আর সাথে সাথে ফোনের নেটওয়ার্ক গেল। আমি লিভিং রুমে কফি খাচ্ছিলাম, তখন দরজায় টোকা পড়ল। দরজা খুলে দেখি সালমান খান, ভিজে শার্টে, তার শক্ত বডি স্পষ্ট হয়ে আছে। আমি অবাক হয়ে বললাম, “সালমান? তুমি এখানে?”
সে হেসে বলল, “গৌরী, আমার গাড়ি রাস্তায় খারাপ হয়েছে। বৃষ্টিতে ভিজে গেছি, তোমাদের ফার্মহাউস জানতাম, তাই চলে এলাম। আশ্রয় দেবে?” তার হাসি আমার হৃদয়ে কিছু জাগাল, আমি লজ্জায় বললাম, “অবশ্যই, ভেতরে এসো। আমি শাহরুখের শুকনো কাপড় এনে দিচ্ছি।” আমি তাকে বসিয়ে কাপড় আনতে গেলাম, ফিরে দেখি সে শার্ট খুলে ফেলেছে, তার পেশীবহুল বুক আমার চোখে আটকে গেল। আমার গাল গরম হয়ে গেল, আমি বললাম, “সালমান… এই নাও কাপড়।” সে হেসে বলল, “গৌরী, তুমি লজ্জা পাচ্ছ কেন? আমি তো শাহরুখের দোস্ত, তুমি আমার বোনের মতো।” কিন্তু তার চোখে একটা অদ্ভুত চাউনি, আমার শরীরে জ্বালা জেগে উঠল।
আমরা সোফায় বসলাম, বাইরে বৃষ্টি ঝমঝম করছে। আমি বললাম, “সালমান, তুমি শাহরুখের বন্ধু, কিন্তু আমরা কখনো এভাবে কথা বলিনি। তোমার জীবন কেমন চলছে?” সে আমার চোখে তাকিয়ে বলল, “গৌরী, আমার জীবন ফিল্ম আর ফ্যানদের মাঝে। কিন্তু আমি একা, কেউ আমাকে সত্যি বোঝে না। তোমার আর শাহরুখের ভালোবাসা আমাকে ভরিয়ে দেয়। তুমি খুব সুন্দর, তোমার হাসিতে জাদু।”
আমি লজ্জায় বললাম, “সালমান, তুমি মিষ্টি কথা বলো। আমি শাহরুখের বউ, আমার জীবন তার সঙ্গে। কিন্তু… আমিও মানুষ, মাঝে মাঝে মনে হয় আমি আরো কিছু চাই।”
সে আমার হাতে হাত রাখল, তার ছোঁয়ায় আমার শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল। সে ফিসফিস করল, “গৌরী, তুমি শুধু শাহরুখের বউ নও, তুমি একজন মহিলা। তোমার শরীরে আগুন আছে, আমি সেটা দেখতে পাচ্ছি।”
সালমানের কথায় আমার গুদ রসে ভিজে গেল, আমি কাঁপা গলায় বললাম, “সালমান, এটা ঠিক না। আমি শাহরুখকে ভালোবাসি। কিন্তু আমার শরীর কেন এমন করছে?” আমার শরীর তার কাছে টানছিল, আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারছিলাম না।
বৃষ্টি আর বজ্রপাতের শব্দে ঘর ভরে গেল। আমি কফি আনতে উঠলাম, কিন্তু পা পিছলে তার উপর পড়ে গেলাম। আমার দুধ তার বুকে গিয়ে ঠেকল, গাউন সরে আমার উরু বেরিয়ে পড়ল। আমি লজ্জায় বললাম, “সালমান… আমি… সরি…” কিন্তু তার হাত আমার কোমরে, তার চোখ আমার চোখে।
সে ফিসফিস করল, “গৌরী, তুমি জানো না তুমি আমাকে কী করছ। আমি থামতে চাই, কিন্তু পারছি না।”
আমার শরীর কেঁপে উঠল, আমি বললাম, “সালমান, এটা দুর্ঘটনা… আমরা এটা করতে পারি না…” কিন্তু ততক্ষনে তার ঠোঁট আমার গলায়, আমার শরীরে আগুন জ্বলে উঠল।
আমি আস্তে করে বললাম, “আহহহ… সালমান… আমার শরীর জ্বলছে… আমি নিজেকে থামাতে পারছি না…” এটা একটা দুর্ঘটনা ছিল, কিন্তু আমার শরীর তার কাছে হার মানল। আমরা ফার্মহাউসের লিভিং রুমে, সোফায়, একে অপরের কাছে ডুবে গেলাম।
ঘরে শুধু আমরা দুজন, বাইরে বৃষ্টির শব্দ। সালমান আমার গাউন খুলে ফেলল, আমার দুধ ব্রায়ের উপর ফুলে উঠেছিল। আমি লজ্জায় বললাম, “সালমান, আমার খুব লজ্জ্বা লাগছে… আমি শাহরুখের বউ… কিন্তু আমার শরীর তোর জন্য পাগল হয়ে যাচ্ছে।” সে আমার ব্রা খুলে দিল, আমার দুধ ফর্সা, বোঁটা শক্ত হয়ে আছে। সে বলল, “গৌরী, তুমি অসাধারণ। আমি তোমাকে থামাতে চাই না।”
আমার গুদ রসে ভিজে চকচক করছিল, আমি তার প্যান্ট খুলে ফেললাম, তার ধন শক্ত হয়ে আছে। আমরা সোফায়, মেঝেতে, একে অপরের কাছে হারিয়ে গেলাম।
সালমান আমাকে সোফায় শুইয়ে দিল, আমার প্যান্টি নামিয়ে ফেলল। আমার গুদ ফর্সা, রসে ভিজে লাল, ক্লিট ফুলে উঠেছিল। আমি লজ্জায় বললাম, “সালমান… আমার গুদে এত আগুন কেন? আমি লজ্জায় মরে যাচ্ছি…” সে আমার উরুতে চুমু দিল, ধীরে ধীরে আমার গুদের কাছে এল। তার গরম নিশ্বাস আমার গুদে লাগল, আমি কেঁপে বললাম, “আহহহ… সালমান… তুই কী করছিস… আমার শরীর জ্বলছে!” সে জিভ দিয়ে আমার ক্লিটে ছুঁইল, আমার শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল। সে আঙুল ঢুকিয়ে জি-স্পটে চাপ দিল, জিভ দিয়ে ক্লিট ঘষল। আমি বললাম, “আহহহ… সালমান… আমার গুদ গলছে… তুই আমাকে পাগল করছিস!” আমি তার মাথা চেপে ধরে বললাম, “আরো চাট… আমার আগুন জ্বালিয়ে দে!” আমার গুদ রসে ভিজে গেল, আমি তৃপ্তির শীর্ষে পৌঁছলাম। আমি হাঁপাতে বললাম, “সালমান… তুই আমার শরীরে আগুন জ্বালিয়েছিস…” আমার শরীর আরো উত্তেজিত হয়ে গেল।
সালমান আমাকে সোফা থেকে তুলে দেয়ালে ঠেস দিল। আমার গুদ তার চোষার পর রসে ভিজে চকচক করছিল, আমার শরীর উত্তেজনায় কাঁপছিল। আমি লজ্জায় বললাম, “সালমান… তুই আমার গুদে এত আগুন জ্বালালি… আমি পারছি না।” সে তার ধন আমার গুদে ঠেকাল, আমি শীতকার করে বললাম, “আহহহ… সালমান… আমার গুদে তুফান উঠছে… তুই আমাকে কী করছিস?” সে ধীরে ঢুকাল, আমার গুদ টাইট, তার ধন চেপে ধরছিল। আমি তার গলা জড়িয়ে শীতকার করলাম, “আহহহ..আহহহ… তুই আমাকে পুড়িয়ে দিচ্ছিস!”
সে আমার দুধ চেপে বোঁটা চটকাল, আমার শরীর কাঁপছিল। আমি চেঁচিয়ে বললাম, “জোরে… আমার গুদে তোর আগুন ঢাল!” সে গতি বাড়াল, আমার পাছা তার কোমরে ধাক্কা খাচ্ছিল। আমার গুদ রসে ভিজে গেল। সে আমার দুধ চেপে বীর্য ছড়াল, আমরা কাঁপছিলাম। আমি তার বুকে মাথা রেখে হাঁপালাম
-এরপর আমরা সোফায় শুয়ে পড়লাম, সালমান আমার উপর উঠল। আমি বললাম, “সালমান, আমার শরীর এখনো জ্বলছে। এটা নিছক দুর্ঘটনা, কিন্তু আমি থামতে পারছি না।” সে আমার পা ছড়িয়ে ধন ঢুকাল। আমি শীতকার করে বললাম, “আহহহ… সালমান… আমাকে চুদে চুদে পাগল লরে দে, আমাকে জোড়ে জোড়ে দে, সে গভীরে ঠাপ শুরু করল, আমার দুধ ঝাঁকছিল। আমি তার পিঠ খামচে ধরে বললাম, “আহহহ…আহহহ.. তুই আমাকে আরো জ্বালা!” সে আমার ঠোঁটে চুমু দিল, আমার জিভ তার জিভে জড়িয়ে গেল। আমি তার চোখে তাকিয়ে বললাম, “সালমান… আমি শাহরুখের বউ, কিন্তু এই মুহূর্তে আমি শুধু তোর।”
এবার আমি সালমানের উপর উঠলাম, আমার দুধ ঝাঁকছিল। আমি বললাম, “সালমান,আজ থেলে আমার গুদ তোর জন্য পাগল। আমি আর থামতে পারি না।” সে আমার পাছা চেপে ধরল, আমি তার ধন আমার গুদে নিলাম। আমি লাফাতে শুরু করলাম, আমার গুদ তার ধন গিলে নিচ্ছিল। আমি শীতকার করলাম, “আহহহ… সালমান… আমার গুদে আগুন জ্বলছে… তুঈ আমাকে স্বর্গ দেখাচ্ছিস!” সে আমার দুধ চেপে বোঁটা চুষল, আমি চেঁচিয়ে বললাম, “আহহহ… আমার দুধ জোড়ে জোড়ে টিপে দে … আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি!” আমার শরীর ঘামে ভিজে চকচক করছিল, আমার গুদ কেঁপে উঠল, আমি শীতকার করে বললাম, “আহহহ… সালমান… আমার শরীর ফেটে যাচ্ছে!” আমার গুদ কেঁপে প্রথম অর্গাজমে ভাসল, রস তার ধন ভিজিয়ে দিল। আমি তার চোখে তাকিয়ে বললাম, “সালমান… এই মুহূর্ত আমার জীবনের সবচেয়ে পাগলামি।” সে আমার পাছা চেপে বীর্য ছড়াল, আমরা কাঁপছিলাম। আমি তার উপর শুয়ে পড়লাম, আমার হৃদয় অস্থির কিন্তু পূর্ণ।
তারপর আমরা মেঝেতে পাশাপাশি শুয়ে পড়লাম, আমার পাছা তার কোমরে ঠেকছিল। আমি বললাম, “সালমান, আমার শরীর তৃপ্ত, কিন্তু আমি তোকে আরো চাই। এটা কী হচ্ছে আমার সঙ্গে?” সে আমার গলায় চুমু দিয়ে আমার গুদে ধন ঢুকাল, সে ধীরে ঠাপ দিতে লাগল, আমার দুধ চেপে বোঁটা চটকাল। আমি শীতকার করলাম, “আহহহ… সালমান… আমার গুদে আবার আগুন… তুই আমাকে পুড়িয়ে দিচ্ছিস!” সে আমার কানে ফিসফিস করল, “গৌরী, তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত আগুন।” আমি তার হাত চেপে বললাম, “সালমান… আমি এই মুহূর্তে শুধু তোর কাছে হারতে চাই।” আমরা কাঁপছিলাম। আমি তার বুকে মুখ লুকালাম, আমার হৃদয় অপরাধবোধে কাঁপছিল। সময়: ৪৫ মিনিট।
আমরা মেঝেতে উঠে বসলাম, আমি হাঁটু গেড়ে বসলাম। আমি বললাম, “সালমান, আমার শরীর আর পারছে না… কিন্তু আমি তোকে শেষবার চাই। আমি পাগল হয়ে গেছি।” সে আমার পাছা চেপে ধরল, আমার গুদে ধন ঢুকাল। আমি শীতকার করে বললাম, “আহহহ… সালমান… আমার গুদে তুফান উঠেছে… তুঈ আমাকে শেষ করে দিচ্ছিস!” সে গভীরে ঠাপ শুরু করল, আমার দুধ ঝাঁকছিল। আমি চেঁচিয়ে বললাম, “আহহহ… আমার শরীর গলছে… তুঈ আমাকে পুরো গলিয়ে দে!” সে আমার চুল ধরে গতি বাড়াল, আমার পাছা তার কোমরে ধাক্কা খাচ্ছিল। আমার গুদ কেঁপে উঠল, আমি শীতকার করে বললাম, “আহহহ… সালমান… আমার শরীর ফেটে যাচ্ছে… আমি আর পারছি না!” আমার গুদ কেঁপে দ্বিতীয় অর্গাজমে ভাসল, রস তার ধন ভিজিয়ে মেঝে ভাসাল। আমি মেঝেতে শুয়ে পড়লাম, আমার শরীর তৃপ্ত কিন্তু হৃদয় ভারী।
সেক্সের পর আমরা সোফায় বসলাম, বাইরে বৃষ্টি থেমে গেছে। আমি বললাম, “সালমান, এটা একটা দুর্ঘটনা ছিল। আমি শাহরুখকে ভালোবাসি, তুই তার বন্ধু। আমরা এটা কাউকে বলতে পারি না।” সে আমার হাত ধরে বলল, “গৌরী, আমি জানি। আমিও শাহরুখের দোস্ত, আমি তোমাকে সম্মান করি। এটা আমাদের মাঝে থাকবে, কেউ জানবে না।” আমার চোখে জল এল, আমি বললাম, “সালমান, তুই আমার শরীরে আগুন জ্বালিয়েছিস, কিন্তু আমার হৃদয় শাহরুখের। এই রাত আমাদের গোপন রাত।” সে আমার কপালে চুমু দিয়ে বলল, “গৌরী, তুমি একটা জাদু। আমি কখনো কাউকে বলব না।” সে তার গাড়ি ঠিক করে চলে গেল। আমি ফার্মহাউসে একা রইলাম, আমার শরীর তৃপ্ত, কিন্তু হৃদয়ে অপরাধবোধ। আমি শাহরুখের কাছে ফিরে গেলাম, আমাদের জীবন আগের মতো চলল। কিন্তু সেই রাত আমার হৃদয়ে একটা গোপন আগুন হয়ে রইল।
0 Comments